...
কমিউনিটি প্রোগ্রাম বা ইভেন্ট-এ আপনার কি অংশগ্রহণ করা উচিত

কমিউনিটি প্রোগ্রাম বা ইভেন্ট-এ আপনার কি অংশগ্রহণ করা উচিত?

অনেকে মনে করেন কমিউনিটি ইভেন্ট বা প্রোগ্রাম গুলো অনেকটা সময় নষ্টের মতো কিংবা এই ইভেন্ট গুলোতে শুধুমাত্র খাওয়া দাওয়া আর ছবি তোলা হয়। আসলে এটি আপনার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। 

অনেকে প্রোগ্রাম গুলো কে ডে-অফ এর মতো মনে করে, সবার সাথে দেখা করা, নেটওয়ার্কিং করা তাদের প্রায়োরিটি। অনেকে শুধু সবার সাথে ছবি তুলে মজা পান। অনেকে স্পিকারদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনে তার নেয়ার মতো জিনিস ঠিক এ নিয়ে আসেন। কেওবা তার পছন্দের লিডার এর সাথে কানেক্ট হয়ে নেন। কেওবা তার niche এর এক্সপার্ট দের জানান দিয়ে আসেন তার ক্যাপাবিলিটি সম্পর্কে।  অনেকে তার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কে কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করবেন তার ট্রিকস নিয়ে আসেন তার সিনিয়রদের কাছে পেয়ে। নতুনরা বহুমুখী আইডিয়া নিয়ে তার প্ল্যান বাস্তবায়ন শুরু করেন।

আমরা যারা অনলাইন এ বিভিন্ন সেক্টর এ কাজ করছি তাদের খুব কম এ সময় হয়, events ও  program এ এটেন্ড করার।  আমাদের সময়ে তেমন একটা ইভেন্ট বা প্রোগ্রাম হতো না, এখন অনেক ইভেন্ট হচ্ছে, নতুনদের জন্য এটি একটি blessing. আসুন জেনে নেই কেন এই ধরণের event ও program এ এটেন্ড করা উচিত?

 

১. নেটওয়ার্কিং অপুর্চুনিটি:

 

সাধারণত events ও  program এর environment এমন থাকে যাতে আপনি  industry professionals, potential clients ও other freelancers দের সাথে নেটওয়ার্কিং করতে পারেন।  এতে তাদের সাথে relationships বিল্ড আপ ও আপনার  professional network expand করা অনেক সহজ হয়। অনেকের সাথে collaborations, referrals, ও নতুন business opportunities তৈরী হয়। 

হয়তো এমন অনেকে আছেন যাদের সাথে ভার্চুয়ালি কানেক্ট করা সম্ভব হয় নাই। তাকে আপনি সহজেই reach করতে পারছেন। অল্প সময়ে আপনি আপনার যেকোনো ক্রিটিকাল ইসু এর সমাধান পেয়ে যাচ্ছেন। তার নাম্বার রাখতে পারছেন, লিঙ্কেডিন অথবা অন্য সোশ্যাল মিডিয়া তে সহজে কানেক্ট করে নিতে পারছেন। 

 

২. নলেজ ও আইডিয়া শেয়ারিং

 

এই ধরণের ইভেন্ট ও প্রোগ্রাম এ industry experts যারা আছেন তারা তাদের এক্সপেরিয়েন্স ও এক্সপেরিমেন্ট এর valuable insights, tips, ও  trends শেয়ার করে থাকেন। খুব অল্প সময়ে আমরা তাদের কাছ থেকে valuable ইনফরমেশন জানতে পারি। 

এই ধরণের অনলাইন বা অফলাইন events ও  program এর মাদ্দমে আপনি নতুন  অনেক কিছু জানতে পারবেন, জানতে পারবেন industry এর best practices সম্পর্কে, আর নিজেকে latest trends and technologies এর সাথে আপডেটেড রাখতে পারবেন. 

 

৩. ইনস্পিরেশন ও মোটিভেশন

 

সাধারণত যারা অনলাইন এ কাজ করেন তারা কমিউনিটি থেকে isolated থাকেন। নিজের কাজ নিয়ে বেস্ত থাকেন, ঘরের বাইরে বা অফিস এর বাইরে খুব বেশি বের হওয়া হয় না। এই ইভেন্ট গুলো নিজেকে অনেকটা ছুটি দেয়ার মতো। like a dayout, ঐদিন আমার ঘুরতে যাওয়ার মতো, ইভেন্ট এ নিজের মতো টাইম ইনভেস্ট ও ম্যানেজ করছেন, সবার সাথে কানেক্টেড হচ্ছেন, সেলফি তুলছেন, গেস্ট দের কারো কাছে প্রশ্ন থাকলে সেটা জানছেন। 

ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের success stories, struggles, কিভাবে নিজেকে ওভারকাম করেছেন এই গল্প গুলো নিজের মধ্যে Inspiration ও  Motivation তৈরী করে। আপনার পছন্দের মানুষের সাথে কানেক্টেড হয়ে you can reignite your passion for your work. এবং এটি আপনার possibilities ও opportunities কে বার বার remind করিয়ে দিবে।

 

৪. ব্র্যান্ড এক্সপোজার এবং মার্কেটিং

 

এই ধরণের ইভেন্ট ও প্রোগ্রাম আপনার জন্য চমৎকার একটা অপুর্চুনিটি তো showcase your expertise, skills, and services to a wider audience.

এছাড়াও ইভেন্ট এ আপনার active engagement, question ask করা অথবা যেকোনো discussions এ actively participate করে আপনি আপনার ভিসিবিলিটি বাড়াতে পারবেন, তাছাড়া আপনি যে আপনার ফিল্ড এ এক্সপার্ট তা establish করতে পারবেন।

 

৫. পার্সোনাল ও প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট

নতুন স্কিল সম্পর্কে জানা, আপনার বিসনেস স্ট্র্যাটিজি ইমপ্রুভমেন্ট, বা যারা ফ্রীলান্সার আছেন, অনেক ফ্রিল্যান্স ট্রিকস জানা যেতে পারে এই প্রোগ্রাম গুলোতে।  এছাড়াও অনেক সেশন এ personal and professional growth নিয়ে স্পিচ ও ডিসকাশন থাকতে পারে। আমরা অনেকে গেস্টদের প্রশ্ন করতে পারি।  নিজেরা নোট লিখে নিতে পারি।  so খুব সহজে নিজেদের ডেভেলপমেন্ট করাতে পারি এই ইভেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রোগ্রাম গুলোর মাদ্দমে।

 

৬. রিসৌর্স ও টুল এর এক্সেস

 

অনেক ইভেন্ট এ অনেক resources, tools, and industry-specific information শেয়ার করা হয়, যা আমার freelancing business কে enhance করতে সাহায্য করে। আমি নিজেও অনেক ইভেন্ট এ গেস্ট হিসেবে গিয়ে অন্য গেস্ট থেকে অনেক টুল, সফটওয়্যার ও স্ট্র্যাটিজি নিজে আইডিয়া পাইসি যা আমার বিসনেস এর গ্রোথ ও ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার এ অনেক বড়ো ভূমিকা পালন করেছে। 

 

৭. নিজেকে আপডেটেড রাখা:

 

আমরা সবসময় নতুন টেকনোলজি অথবা নতুন কিছু adopt করতে ভয় পাই। Industry তে এখন অনেক changes and advancements চলে আসছে।  এই ইভেন্ট ও প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা latest technology, developments ও market trends সম্পর্কে জানতে পারি যা which can help us to adopt new trends and technology.

 

সবশেষে আমি বলবো অনলাইন প্রফেশনালদের বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা ইভেন্ট এ আমাদের must participate করা উচিত, প্রোগ্রাম গুলোতে এসে অবশ্যই আমরা ছবি তুলবো কারণ এগুলো আমার স্মৃতি যা পরবর্তীতে আমাকে inspire করবে। তবে শুধু ছবি তোলা বা গিফট নেয়ার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্দ না রেখে industry experts দের থেকে নেটওয়ার্কিং, তাদের কাছ থেকে শর্ট টাইম এর মধ্যে বিসনেস ডেভেলপমেন্ট বা ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে suggesion বা আইডিয়া নিতে হবে।  কারণ আপনি কিন্তু ইভেন্ট এ আপনার টাইম ও মানি ইনভেস্ট করছেন। 

এছাড়াও অডিয়েন্সদের মধ্যে আমা র সেক্টর এর বা অন্য সেক্টর এর মানুষদের সাথে কানেক্টিভিটি তৈরী করতে হবে। say আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার। আমি ইভেন্ট এ একজন টপ গ্রাফিক ডিজাইনের এর সাথে পরিচিত হলাম। তার অনেক ক্লায়েন্ট আছে যারা ওয়েব সার্ভিস চায়। তিনি আমাকে কাজ ফরওয়ার্ড করে দিলেন। এভাবে ও আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার এর scalibility বাড়ানো যায়।    

সব স্পিকার এর স্পিচ আমার সাথে রিলেটেড নাই হতে পারে, কিন্তু কিছু স্পিকার যাদের কথা আমার কাছে ভালো লাগে, যাদের স্পিচ আমার বিসনেস বা সার্ভিস এর সাথে রিলেটেড তাদের স্পিচ এর ইম্পরট্যান্ট পয়েন্ট নোট নিতে হবে অথবা  ইনস্টেন্টলি মাথায় নিয়ে নিতে হবে। সুযোগ থাকলে তাদের প্রশ্ন করতে হবে, স্পিচ শেষে লিঙ্কেডিন বা সোশ্যাল মিডিয়া তে তাদের সাথে কানেক্টেড হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে তাদের আমরা reach করতে পারি। ধন্যবাদ সবাইকে। 

Thanks
Minhazul Asif

Share the Post:

Related Posts